1.রমজান মাসের প্রধম যে কাজ তা হল সাবানের. উনত্রিশ তারিখ আকাশে চাঁদ তালাশ করা.অর্থাদ চাদ দেখা.
কেননা রাসূল (সঃ)বলেছেন তোমরা চাঁদ দেখে রোজা রাখ এবং চাঁদ দেখে ঈদ কর.রমজানে চাঁদ দেখা ছাওয়াবের কাজ.
2. দুই নাম্বারে কাজ হল রোজা রাখা.আমরা এটাই হল প্রদান কাজ
ছোবেছাদিক হতে সূর্য অস্ত যাওয়া প্রর্যন্ত পানাহার ও যৌন সঙম. ও সকল প্রকার অশ্লিল কাজ থেকে বিরত. থাকা.
3.তারাবির নামাজ আদায় করা.
ইশার নামাজ এর পরে ছালাতুল তারাবি আদায় করা.
কারন
যে ব্যক্তি রমজান মাসে নিয়েমিত
তারাবির নামাজ আদায় করবে তাহার পূর্বের সকল গোনাহ. মাফ হয়ে যায়.কেউ যদি কোন কারনে তারাবির নামাজ পরতে না পারে তাহলে রোজার কোন সমস্য হবে না.
কারন তারাবির সাথে রোজার কোন সম্পর্ক নেই.
4.ইফতার করা
রাসূল (সঃ) বলেছেন ততদিন তোমরা কল্লানের মধ্যে থাকবে যতদিন ইফতার করবে তারাতারি এবং ছেহরি খাবে দেরি করে.
অথএব সময় হওয়ার সঙে সঙে ইফতার করা. কোন প্রকার দেরি করার মাজে কোন কল্লান নেই.
5. ছেহরি খাওয়া.
উপরের হাদিস. অনুযায়ী দেরি করে ছেহরি খাওয়া. অর্থাদ ছেহরি খাওয়া শেষ এবং তারপর যেন. ফজরের আযান হয়ে যায়.
6.ইফতারের আগে দোয়া করতে থাকা.
তিন ব্যক্তির দোয়া আল্লাহ পাক কবুল করে তারপর মাজে একজন হল রোজাদারের দোয়া. সেই জন্যে দোয়া করতে থাকা. কারন ইফতারের আগে দোয়া কবুল হয়.
7.মিথ্যা কথা ও মিথ্যা কাজ থেকে বিরত থাকা.
কারন এতে সিয়ামের প্রান থাকে নামাজ.
হাদিসে এসেছে যেন ব্যক্তি সিয়াম পালন অবস্হায় মিথ্যা কথা ও মিথ্যা কাজ পরিহার করলো না আল্লাহর কাছে এই সিয়ামের কোন প্রয়োজন নাই. কারন এটা নিছক উপবাসে পরিনত হয়.
সেই জন্য সকল প্রকার মিথ্যা কথা ও কাজ পরিহার করতে হবে.
8.জগরা বিবাদ হতে নিজকে বিরত রাখা.
আর কেউ যতদিন জগরা করতে আসে তখন তাহাকে বলা ভাই আমি সিয়াম অবস্হায় আছি.
যদিও জগরা করা সবসময় অপছদ্নিয় কাজ. তারপর ও রমজানে বিষেশ. বাভে জগরা হতে বিরত থাকতে হবে.
9.অন্য রোজাদার কেউ ইফতার করানো.
হাদিছে এসেছে কেউ যদি কোন রোজাদার কে ইফতার কারয় তাহলে রোজাদার সমান. ছোয়াব পাবে কিন্তু রোজাদারের ছোয়াব কমতি হবে না.
সেই জন্য নিজের সাধ্য মত অন্য রোজাদার কে ইফতার করানো.
10.আল কোরআনের দারছ করা. অথবা আল কোরআনের ক্লাস করা.
কারন রমজানের প্রতি রাতে জিব্রাইল আঃ রাসূল (সঃ) কে আল কোরআনের দারছ শোনাতেন.
বেশি বেশি করা আমাদের সকলের কর্তব্য.
11.অধিক হারে দান ছদকা করা.
কারন রাসূল (সঃ) যদিও সবসময় দান. ছদকা করতেন রমজান এলে তারপর পরিমান বারিয়ে দিতেন. সেই জন্য. আমাদের সাধ্য অনুযায়ী দান করা..
12.মেছোহাক করা.
রাসূল (সঃ) রমজান এলে বেশি বেশি মেছোহাক করতেন তারপর প্রমান পাওয়া যায়.
আল্লাহর পক্খ হতে গোশন যেন মেছোহাক তোমার মোখকে পরিস্কার করে এবং আল্লাহর সাথে সমপর্ক্য বারায়. সেই জন্য মেছোহাক করতে হবে.
13.সামর্থ থাকলে উমরা করা.
কারন রমজান মাসে উমরা করলে রাসূল (সঃ)এর সাথে হজ্ব করার সমান নেকি পাওয়া যায়.
14.রমজানের শেষ দশকে বিষেশ বাভে ইবাদতে মগ্ন হওয়ার.
কারন রাসূল (সঃ) রমজানে শেষ দশকে খুব বেশি ইবাদতের চেস্টা করতেন যা অন্য সময় করতেন না.
15.শেষের দশদিন মসজিদে ইতিকাফ করা.
রাসূল (সঃ) রমজানের শেষের দশদিন মসজিদে ইতিকাফ করতেন. এক বছর না পারলে পরের বছর বারিয়ে দিতেন. ইতিকাফ একটি গুরুত্তপূর্ন ইবাদত.
16.রমজানে শেষ দশকের বেজোর রাত্রিতে লাইলাতুল কদর তালাশ করা.
রাসূল (সঃ) বলেছেন তোমরা শেষ দশকের বেজোর রাতে শবে কদর তালাশ কর.আর তা হল 21-23-25-27-ইত্যাদি.
17.ছদকায়ে ফিতর আদায় করা.
যা আদায় করা দায়িত্ব হল পরিবারের কর্তার.
18.খমা ও জাহান্নাম থেকে মুক্তির জন্য দোয়া করতে থাকা.
19.সাধারনত আমরা যে ইবাদত করি তারপর অধিক হারে বারিয়ে দেয়া.এবং ইবাদতের প্রতি যত্নবান হওয়া.
20.পাপাচার ওগুনা পরিত্যগ করা.ও তাকওয়ার অনুশরন করা.
আর এটাই হল রমজানে লখ্য ও মূল উদেশ্য.
অথএব আমরা যেন রমজানে এই ইবাদতের সময় সিয়াম সাধনায় নিজকে আত্ননিয়োগ করি.
এবং মহান আল্লাহ পাক যেন আমাদের সবাই কে রমজানে রোজা পালন করার তৌফিক এনায়েত করে. এবং আমাদের সবাই যেন সুস্ত রাখে
এবং রমজানে আসল লখ্য উদেশ্য হাছিল করার. তৌফিক দান করে. আমিন....আমিন ....আমিন
ওয়াল আখেরি দেয়না আনিল হামদুলিল্লাহে রাব্বিল আলামিন
(লেখা ভূল হলে খমার দৃস্টিতে দেখবেন)
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন